শরীয়তপুরের জাজিরায় বল সদৃশ ককটেল হাতে নেওয়ার পর আকস্মিক বিস্ফোরণে মো. কামরুল (১৪) নামে এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাধীন পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ফেদুল্লা বেপারীকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত কামরুল ওই এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তু দেখতে পায় স্থানীয় কিশোর জুনায়েদ আহমেদ (১৭)। খেলনা বল মনে করে সে বস্তুটি হাতে তুলে নেয়। এ সময় তার সহপাঠী কামরুল কাছে গিয়ে সেটি সম্পর্কে জানতে চায়।
পরে দুজনে মিলে বস্তুটি জুনায়েদের দাদি নাসিমা বেগমকে দেখালে তিনি সেটিকে ককটেল বোমা হিসেবে শনাক্ত করেন। এতে আতঙ্কিত হয়ে জুনায়েদ বস্তুটি হাত থেকে ফেলে দিলে মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কাছাকাছি থাকা কামরুল গুরুতর আহত হয়।
বিস্ফোরণে কামরুলের শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার পাশ থেকে আরও দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে। এলাকায় আরও কোনো বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার পর জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। আহত কিশোরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাধীন পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ফেদুল্লা বেপারীকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত কামরুল ওই এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি বস্তু দেখতে পায় স্থানীয় কিশোর জুনায়েদ আহমেদ (১৭)। খেলনা বল মনে করে সে বস্তুটি হাতে তুলে নেয়। এ সময় তার সহপাঠী কামরুল কাছে গিয়ে সেটি সম্পর্কে জানতে চায়।
পরে দুজনে মিলে বস্তুটি জুনায়েদের দাদি নাসিমা বেগমকে দেখালে তিনি সেটিকে ককটেল বোমা হিসেবে শনাক্ত করেন। এতে আতঙ্কিত হয়ে জুনায়েদ বস্তুটি হাত থেকে ফেলে দিলে মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কাছাকাছি থাকা কামরুল গুরুতর আহত হয়।
বিস্ফোরণে কামরুলের শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় ক্লিনিকে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার পাশ থেকে আরও দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে। এলাকায় আরও কোনো বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার পর জনবহুল এলাকায় বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। আহত কিশোরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
অনলাইন ডেস্ক